নষ্টদের রাহুগ্রাস
...........................রেজাউল ইসলাম রেজার
কিছু আর অবশিষ্ট নেই নষ্টদের ধাক্কায় হৃদয়ে বইছে ঝড়ো হাওয়া। ফুল ফুটানো যায় না, কলি ছিঁড়ে ফেলে দেয়, আহত বিবেক থমকে দাঁড়ায়, রুদ্ধ করে গতি। প্রতি মুহুর্তে নাড়া দেয় বাস্তবতা আর ভাবনার যুদ্ধ সুখগুলো শুষে খায় প্রেতাত্মার মতো করে, নিপুণ কৌশলে সমাহিত করা জিন্দা লাশ চুরি করে মানবিক মহত্ত্ব বোধের ধোঁয়া তুলে পথ আগলে দাঁড়ায়- তুমি কখনো কি দেখেছো হে নরাধম ? কিছু সময় থামলো পথে, নিরূপায় উদ্ভিন্ন পথিক অতপর নিজেকে গুটিয়ে নেয় মজলুম, বেদনার্ত হৃদয়ে জ্বলে উঠে দাউদাউ আগুনের শিখা নারী শরীর আর সঙ্গমের অসুখ ব্যাধিতে যে, সেও শ্লোগান দেয় মানবতার- আমি দারূণ এক উপলব্ধিতে জাপটে ধরে আছি খড়কুটো। বিশ্রী চিন্তা-চেতনা পরিণত হয়েছে সমাজে, "সেই ভালো মানুষ " মন্দ বোধের সাথে যার সহবাস, অখাদ্য-কু-খাদ্য খেয়ে, সেও ভালোকে করেছে গ্রাস ! সমাজেও বাদ যায়নি, অদ্ভুত সমাজের রীতি নীতি সমাজ বহির্ভূত কর্মকাণ্ড দেখা যায় না গোপনে অনাচার, দিনদুপুরে সেও বিরাট এক সভ্য মানুষ ! ব্যথা করে চোখে, সমস্ত চেতনা জুড়ে মেঘের দল দেখছি, নিঃসঙ্গতার পাখিরা বিমর্ষ হয়ে আকাশে উড়ছে হৃদ্ পিন্ড জখম আর রক্ত ঝরছে হৃদয়ের তপ্ত নদীতে বালুচর, পূর্নিমার আলোয় চকচক যে আকাশ সেখানেও আর আকাঙ্খা জন্মায় না, অদ্ভুত এক আঁধার ইদানীং করেছে গ্রাস। শকুনির ঝাঁক দল বেঁধে উড়ে যায়, স্বপ্নগুলো দুরাশায় মরে অহনিশি গুমরে গুমরে কাঁদে। নিষ্ঠুরতার জঘন্য খেলায় মেতে উঠেছে দানব, বৈরী আবহাওয়ায় কচ্ছপের মতো চলছি পথে।