সাম্প্রতিক সংবাদ

ইসলামে স্ত্রীর সাথে স্বামীর শিষ্টাচার

Preaching Authentic Islam in Bangla

বিডি নীয়ালা নিউজ(২১জানুয়ারি১৬)- ইসলামিক প্রতিবেদনঃ ইসলাম ধর্ম স্বামীকে তার স্ত্রীর সাথে নিম্নলিখিত শিষ্টাচার বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে

ক. ধৈর্যশীলতা: এবং কোমল আচরণ। যেমন: নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা মহিলাদের কল্যাণ কামনা করবে। কেননা তাদেরকে পাজর থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। যদি পাজরের কোন একটি বেকে যায় তাহলে এটা আরো চওড়া হয়ে যাবে। তুমি এটাকে সোজা করতে চাইলে ভেঙ্গে যাবে। আর তুমি এটাকে ছেড়ে দিলে সর্বদাই বাকা থাকবে। সুতরাং মহিলাদের ক্ষেত্রে কল্যাণ কামনা কর।” বুখারী ও মুসলিম
.
খ. ন্যায় সংগতভাবে তার ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করা। এটা ইসলাম ধর্ম স্বামীর উপর ওয়াজিব করে দিয়েছে।

.
গ. তার সাথে সদাচরণ করা: যেহেতু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের সেই ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” আহমাদ এবং তিরমিযী

.
ঘ. তাকে ভালবাসা এবং ঘৃণা না করা। যেহেতু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাণী: “কোন মুমিন স্বামী যেন কোন মুমিন স্ত্রীকে পৃথক না করে। যদি সে তার কোন একটি আচরণ অপছন্দ করে তাহলে অপর একটি আচরণ তার পছন্দ হবে।” মুসলিম
.
ঙ. ন্যায় বিচার করা এবং অত্যাচার না করা।

.
চ.অশ্লীল কর্ম হতে পবিত্রকরণ এবং উপভোগের অধিকার দেয়া।

.
ছ. তার গোপনীয় কথা প্রকাশ করা হারাম।

.
জ. তার দোষ ত্র“টি খুুঁজে বের করা হারাম।

ঝ. তাকে শিক্ষা দেয়া এবং সৎকাজের আদেশ করা ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।
.
ঞ. তার সাথে খেলা করা এবং তাকে ভালবাসা।
যেমনিভাবে আয়েশা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে কোন এক ভ্রমনে বের হলাম। তখন আমি ছোট বয়সী ছিলাম, মেদবহুল ছিলাম না, ভারী বা মোটা ছিলাম না। অতঃপর তিনি লোকজনকে বললেন, “তোমরা
অগ্রসর হও।” অত:পর তারা অগ্রসর হলো। অত:পর আমাকে বললেন: “এদিকে আস। আমি তোমার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করব তারপর আমি তার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করলাম। এ্বং আমি বিজয়ী হলাম। তখন তিনি চুপ হয়ে গেলেন। অত:পর যখন আমার মেদ বেড়ে গেল, আমি মোটা হয়ে গেলাম এবং পূর্বের ঘটনা ভুলে গিয়েছিলাম তখন আমি তাঁর সাথে কোন এক ভ্রমণে বের হলাম। তিনি মানুষকে বললেন, “তোমরা অগ্রসর হও।” তারা অগ্রসর হয়ে গেল। পরে আমাকে বললেন, আয়েশা তুমি এসো আমি তোমার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করবো। দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে তিনি বিজয়ী হলেন। তারপর তিনি হাসতে লাগলেন এবং বললেন, “এটি প্রথমবার তোমার বিজয়ের প্রতিশোধ।” -আহমাদ,আবু দাউদ
ইনিই হচ্ছেন ইসলাম ধর্মের নবী এবং এটাই তার স্ত্রীর সাথে আচরণ।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

shared on wplocker.com