1

ডেস্ক রিপোর্টঃ অনলাইনে পর্নোগ্রাফি বন্ধের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্নো ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশকারীদের পরিচয় পেতে কৌশল গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এছাড়া ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশ থেকে পরিচালিত পর্নো ওয়েবসাইটগুলো বন্ধেরও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত পর্নো ওয়েবসাইটগুলো বন্ধের উপায় খুঁজতে ইতোপূর্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ গঠিত কারিগরি কমিটিকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাথে আলাপকালে তারানা হালিম বলেন, ইন্টারনেট সেবা দানকারীদেরকে দেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত পর্নো ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করতে হবে।

‘কিন্তু আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটগুলোর ক্ষেত্রে আমরা এমন একটি কৌশল গ্রহণের উপর গুরুত্ব দিচ্ছি যাতে ওইসব ওয়েবসাইটে প্রবেশকারীদের পরিচয় আমাদের কাছে প্রকাশ পাবে’- একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাই পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে অনেকে পর্নো ওয়েবসাইটে প্রবেশে বিরত থাকবে।’

সকল পর্নো ওয়েবসাইট বন্ধ করা সম্ভব কি না? এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ কথা মনে রাখতে হবে যে, আমরা একশত ভাগ ওয়েবসাইট বন্ধ করতে পারব না। কিন্তু আমরা যদি ৮০ শতাংশ বন্ধ করতে পারি তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য বিরাট অর্জন।’

এর আগে, পর্নোগ্রাফি ও আপত্তিজনক ‘কনটেন্ট’ ছড়ায় এমন সাইটগুলোর একটি তালিকা তৈরির জন্য গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে পর্নোগ্রাফি ও সাইবার স্পেস-এ নেতিবাচক বিষয়গুলো সম্পর্কে একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে তারানা হালিম বলেন, ‘আমরা কমিটিকে বলেছি, পর্নো ওয়েবসাইটগুলো বন্ধে সুনির্দিষ্ট কারিগরি প্রস্তাবনা ও সুপারিশ দেওয়ার জন্য।’

তিনি বলেন, কমিটি কাজ করছে এবং গঠনের ১৫ দিনের মধ্যে পর্নো ওয়েবসাইটগুলোর তালিকা এবং কারিগরি প্রস্তাবনা ও সুপারিশ জমা দিবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তিনস্তর বিশিষ্ট এই প্রস্তাবনায় তাৎক্ষণিক, অন্তর্বর্তীকালীন এবং চূড়ান্ত কর্ম-পরিকল্পনা থাকবে।

বি/এস/এস/এন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে