সাম্প্রতিক সংবাদ

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জে খরা সহনশীল ধান চাষ বাড়ানোর আহ্বান

1475580508

ডেস্ক রিপোর্টঃ কৃষি বিজ্ঞানীরা বছরে একই জমি থেকে চার ফসল পেতে খরা সহনশীল জাতের ধান চাষ আরো বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এক্ষেত্রে স্বল্প মেয়াদী আমন ধান, সরিষা, আলু, মুগডাল ও পারিজা ধান চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। খরাসহিঞ্চু ও স্বল্পমেয়াদী ব্রি ধান-৫৬ কাটা উপলক্ষে সোমবার বিকেলে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মেলাবর গ্রামের কৃষক বিধু ভূষণের মাঠে আয়োজিত একটি কৃষক মাঠ দিবসে বক্তারা এসব কথা বলেন।

কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস ২০১১ সাল থেকে এই নতুন ফসলি পদ্বতি কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। বারোভিটা ইউনিয়ন ফেডারেশন আরডিআরএস ও কৃষি কম্প্র-সারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় (ডিএই)।

ব্রি ধান-৫৬ কাটা উপলক্ষে এই মাঠ দিবসের আয়োজন করে। বারোভিটা ইউনিয়ন ফেডারেশনের চেয়ারম্যান অরবিন্দু রায়ের সভাপতিত্বে নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. ইদ্রিস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্রি ধান -৫৬ কাটার উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক, আরডিআরএস বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী আমিনুর রহমান, গবেষণা সহকারী মহিদুল ইসলাম ও কৃষি কর্মকর্তা শরিফা পাশা।

রাশেদুল আরেফিন বলেন, আমন মৌসুমে খরা সহিঞ্চু ও স্বল্প মেয়াদী ব্রিধান-৫৬ চাষ বাড়াতে নীলফামারী জেলার ৩০০ কৃষকের ৩০০ বিঘা জমিতে প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি ব্রি ধান-৫৬ চাষ পদ্ধতি ও সুবিধা সম্বন্ধে বলেন, ‘এই ধান খরা পরিস্থিতিতে ধান রোপণ থেকে পাকা পর্যন্ত ১০৫-১১০ দিন সময় লাগে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই জাতের ধান শুধু খরা সহিঞ্চু নয়, স্বল্প মেয়াদিও। ফলে লীন পিরিয়ডে কৃষকেরা সরিষা অথবা আলু ও অন্যান্য স্বল্প মেয়াদি শীতকালীন সবজি চাষ করার জন্য প্রচুর সময় পায়।’

 

বি/এস/এস/এন

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
shared on wplocker.com