কাওছার হামিদ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী):
নিউট্রিশাস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের সভাকক্ষে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় বীজ বিক্রেতাদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির, প্রজেক্ট ম্যানেজার—নিউট্রিশিয়াস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশ লিমিটেড এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালাটিতে বীজ বিক্রেতাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বীজ উৎপাদক দলের প্রতিনীধিগন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় বায়োফর্টিফাইড জিংক ধান ও গম এর বিভিন্ন জাতের পরিচিতি, পুষ্টিগুন এবং ভোক্তা পর্যায়ে এগুলোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয।মানবদেহে জিংকের অপরিহার্যতা, দৈনন্দিন চাহিদা এবং ইহার ঘাটতিতে পরিবারের শিশু, কিশোর, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের শরীরে যে অপূরনীয় ক্ষতিসাধন ঘটে সে বিষয়ে তথ্যবহুল আলোচনা করা হয়। নিউট্রিসিয়াস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশ লিমিটেড ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ বায়োফর্টিফাইড ফসলের উন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে যেগুলো মূলতঃ আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (ওঋচজও)—এর অংশ হিসেবে ঈএওঅজ—এর সহযোগিতায় হারভেস্টপ্লাস (হারভেস্ট প্লাস) গৃহীত কার্যক্রম।হারভেস্টপ্লাস সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে বীজ ও চাল বিক্রেতাদের সম্পৃক্ত করণে কাজ করে আসছে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বিশেষ করে প্রজনন বয়সী নারী, কিশোরী মেয়ে এবং ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের যাতে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়— সেই লক্ষ্যে প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কাজ করে আসছে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী গন মানবদেহের অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান জিংক এর ঘাটতি পূরণ কল্পে জিংক সমৃদ্ধ ধানের জনপ্রিয়তা বাড়াতে এবং চাষের বিস্তার ঘটাতে বিভিন্ন পরামর্শ ও কৌশল প্রস্তাব করেন। এই কর্মশালায় প্রস্তাবিত বিভিন্ন পরামর্শ ও সুচিন্তিত মতামত সমূহ বায়োফর্টিফাইড জিংক ফসলের বিস্তারের ভবিষ্যত পরিকল্পনাকে নতুন গতি প্রদান করবে বলেই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকলের বিশ্বাস।