ডেস্ক রিপোর্টঃ  প্রযুক্তির কল্যাণে দ্রুত ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজারে জরুরি ভিত্তিতে জনগণের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন।ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০১৯: দ্য চেঞ্জিং নেচার অব ওয়ার্ক’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনের একটি অধ্যায়ে সম্প্রতি প্রকাশিত হিউম্যান ক্যাপিটাল ইনডেক্স তুলে ধরা হয়েছে। এতে হিউম্যান ক্যাপিটালকে অর্ন্তভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালনাকারি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইনডেক্সের পাশাপাশি, হিউম্যান ক্যাপিটালের উপর গবেষণা ও পরিমাপ আরও জোরদারের লক্ষ্যে হিউম্যান ক্যাপিটাল প্রকল্পে একটি কর্মসূচি যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের একটি মিডিয়া রিলিজে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, ‘কাজের প্রকৃতিই শুধু পরিবর্তন হচ্ছে না- এটি দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে।’ ‘বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করছে এমন শিক্ষার্থীরা কোন ধরনের চাকুরির জন্য প্রতিযোগিতা করবে তা আমরা জানি না, কেননা ওইসব চাকুরির অনেকগুলোই এখন আর নাই’- একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদেরকে দক্ষ হিসাবে গড়ে তোলাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশগুলো কিভাবে তাদের জনগণের জন্য বিনিয়োগ করছে সেটা পর্যালোচনা করে আমরা সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোকে তাদের জনগণকে ভবিষ্যতে অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতা করার জন্য আরও সক্ষম করে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করতে পারব বলে আশা করছি।’ মিডিয়া রিলিজে আরও বলা হয়, ডিজিটাল প্রযুক্তির কল্যাণে পুরনোদিনের উৎপাদন সংক্রান্ত ধারনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলোর পরিবর্তে দ্রুত উদ্ভাবন ও প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।

এতে বলা হয়, নতুন বাজার ও কর্মসংস্থানে কর্মিদের দলবদ্ধভাবে কাজ, যোগাযোগ এবং সমস্যা- সমাধান সংক্রান্ত দক্ষতার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। চলতি শতাব্দীতে শুধুমাত্র ইউরোপেই ২৩ মিলিয়ন নতুন চাকুরি সৃষ্টি হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কাজের পরিবর্তনশীল প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নিতে সম্প্রসারণশীল সামাজিক সুরক্ষা প্রয়োজন।

B/S/S/N.

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে